মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

বিসিএস উইমেন নেটওয়ার্কের গঠনতন্ত্র

  বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস উইমেন্ নেটওয়ার্কের গঠনতন্ত্র

১।  এ সংবিধানটি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস উইমেন নেটওয়ার্ক, সংক্ষেপে বিসিএস উইমেন নেটওয়ার্ক নামে পরিচিত ও অভিহিত হবে। নেটওয়ার্কের কার্যক্রম সারা বাংলাদেশে বিস্তৃত থাকবে।

      ❐   বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস উইমেন্ নেটওয়ার্কের অস্থায়ী বর্তমান ঠিকানাঃ

            ❑   বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) উইমেন্ নেটওয়ার্ক, ৪৩, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০ বাংলাদেশ।

২।  সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যাঃ

(ক) নেটওয়ার্ক বলতে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস উইমেন নেটওয়ার্ককে বোঝাবে;
(খ) গঠনতন্ত্র বলতে এ নেটওয়ার্কের গঠনতন্ত্রকে বোঝাবে;
(গ) সদস্য বলতে নেটওয়ার্কের একজন সাধারণ সদস্যকে বোঝাবে এবং পরিষদের সদস্য বলতে নেটওয়ার্কের কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচিত বা পদাধিকার বলে অন্তর্ভূক্ত সদস্যকে বোঝাবে;
(ঘ) সভাপতি বলতে নেটওয়ার্কের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতিকে বোঝাবে;
(ঙ) কোষাধ্যক্ষ বলতে কার্যনির্বাহী পরিষদের কোষাধ্যক্ষকে বোঝাবে;
(চ) মহাসচিব বলতে কার্যনির্বাহী পরিষদের মহাসচিবকে বোঝাবে;
(ছ) শপথ বলতে সদস্যপদ গ্রহণকালে সদস্যগণ কর্তৃক সম্পাদিতব্য অঙ্গীকারনামাকে বোঝাবে;
(জ) নির্বাচন বলতে নেটওয়ার্কের কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনকে বোঝাবে;
(ঝ) কার্যনির্বাহী পরিষদ বলতে নেটওয়ার্কের কার্যনির্বাহী পরিষদকে বোঝাবে;
(ঞ) সাধারন পরিষদ বলতে নেটওয়ার্কের সাধারন পরিষদকে বোঝাবে;
(ট) উপদেষ্টা পরিষদ বলতে নেটওয়ার্কের উপদেষ্টা পরিষদকে বোঝাবে; 

৩।  বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস উইমেন নেটওয়ার্ক এর লক্ষ্য: 
          সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে এ নেটওয়ার্ক নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্য সাধনে পরিচালিত হবেঃ 

(ক) বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি নেটওয়ার্ক ও যোগাযোগের ক্ষেত্র তৈরী করা;
(খ) সদস্যদের মধ্যে পারষ্পারিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও একাত্ববোধ জাগ্রতকরণ এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালনে উদ্ধুদ্ধকরণ;
(গ) বাংলাদেশের সংবিধান ও জাতিসংঘের নারীর প্রতি সকল বৈষম্য দূরীকরণ সনদ (সিডো) অনুযায়ী নারী কর্মকর্তাদের ন্যায়সংগত অধিকার এবং তাদের বিশেষ চাহিদা (Special Need) -র সাথে সংগতিপূর্ণ চাকুরী সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ পর্যালোচনা পূর্বক পলিসি সাজেশন তৈরি করা;
(ঘ) সামাজিক যোগাযোগ, মননশীলতার বিকাশ এবং সকল সদস্যের জন্য কল্যাণমূলক কাজ যেমন, চিকিৎসা সহায়তা, ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক কোন বিপর্যয়ে তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ;
(ঙ) জনপ্রশাসনের চাকুরী হতে অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের তালিকা সংরক্ষণ , তাদেরকে নেটওয়ার্কের কাজে সম্পৃক্ত করা;
(চ) সদস্যবৃন্দের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও মনোন্নয়নের উদ্দেশ্যে উদ্যোগ গ্রহণ এবং তাঁদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সভা, সেমিনার, প্রশিক্ষণ, গবেষণা ইত্যাদি কার্যক্রম পরিচালনা করা;
(ছ) জনপ্রশাসনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে বর্ণিত উদ্দেশ্যে সম্পর্ক/যোগাযোগ স্থাপন করা;
(জ) দেশে নারীর মর্যাদা সুরক্ষা ও নারী ইস্যু বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কার্যক্রম গ্রহণ করা;
(ঝ) সরকারী সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহকে জনমুখী ও নারীবান্ধব করার কাজে সহযোগিতা করা;
(ঞ) উল্লিখিত উদ্দেশ্য অর্জনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহায়ক সকল কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং উদ্যোগ গ্রহণ করা।

৪।       অর্থ-সম্পদের সংস্থান ও ব্যবহারঃ

অনুচ্ছেদ ৩ এ উল্লিখিত উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য যথাযথ অর্থের সংস্থান, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি অর্জন, ব্যবহার ও বিনিময়, সংগৃহীত সমূহ অর্থের বিনিয়োগ ও ব্যবহার করার পূর্ণ ক্ষমতা ও অধিকার নেটওয়ার্কের হিসাবের বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্তদের থাকবে।

৫।       সদস্য পদের যোগ্যতা 

(ক) বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে কর্মরত সকল নারী কর্মকর্তা এ নেটওয়ার্কের সদস্য হতে পারবেন;
(খ) নেটওয়ার্কের শুরু থেকে একে সংহত ও শক্তিশালী করাসহ এর উদ্দেশ্য অর্জনে স্বীকৃতি হিসেবে কোন সদস্যকে আজীবন সদস্য হিসেবে গণ্য করা যাবে;
(গ) আজীবন সদস্য বা সদস্যবৃন্দ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন এবং নেটওয়ার্কের কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচিত হতে পারবেন। তারা নেটওয়ার্কের সদস্য বা সদস্যবৃন্দের জন্য প্রযোজ্য সকল অধিকার অর্জন ও ভোগ করবেন;
(ঘ) সদস্য পদ এবং আজীবন সদস্য পদ অর্জনের জন্য নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ নেটওয়ার্কে প্রদান করতে হবে। এ অর্থের পরিমাণ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক নির্ধারন করা হবে;
(ঙ) সদস্যপদ গ্রহণের জন্য নেটওয়ার্কের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং কার্যক্রমের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রণীত শপথ গ্রহণ করতে হবে।

৬। সদস্য পদ বাতিল

(ক) মৃত্যুবরণ করলে;
(খ) নেটওয়ার্ক থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলে;
(গ) বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস থেকে বরখাস্ত হলে;
(ঘ) নেটওয়ার্কের স্বার্থ ও শৃংঙ্খলা বিরোধী কর্মে বা আচরণে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত বা লিপ্ত হলে;
(ঙ) ফৌজদারী আদালত কর্তৃক কোন অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত হলে;
(চ) এক নাগড়ে ৩ (তিন) বছরের চাঁদা বকেয়া হলে;
(ছ) নেটওয়ার্কের শপথের শর্ত ভঙ্গ করলে;
 
উপরে বর্ণিত কারণে কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক সদস্য পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যেতে পারে (তবে কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক সদস্য পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে অভিযুক্তের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ থাকবে)।

৭।       সদস্যপদ পুর্নবহালঃ 

সদস্যপদ বাতিলের পর তা পুর্নবহালের জন্য সভাপতি বরাবরে আবেদন করতে হবে। কার্যনির্বাহী পরিষদের কমপক্ষে দুই তৃতীয়াংশ সদস্য সম্মতি প্রদান করলে সদস্যপদ পুর্নবহাল করা যেতে পারে।

৮।       পরিষদ গঠনঃ 

নেটওয়ার্কের কাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও তত্ত্বাবধানের জন্য নিম্নোক্ত তিনটি পরিষদ গঠন করা হবেঃ
 
(ক) সাধারণ পরিষদ
(খ) কার্যনির্বাহী পরিষদ
(গ) উপদেষ্টা পরিষদ

৯।       সাধারণ পরিষদঃ 

সাধারণ পরিষদ হবে নেটওয়ার্কের সর্বোচ্চ পরিষদ। এ পরিষদের অনুমোদনক্রমে উইমেন নেটওয়ার্ক এর যাবতীয় আইন-কানুন (গঠনতন্ত্র-নীতিমালা-বিধি এবং প্রবিধি) চূড়ান্ত হবে।

১০।     সাধরণ পরিষদের গঠন, প্রকৃতি ও ক্ষমতাসমূহঃ 

(ক) বি,সি,এস উইমেন নেটওয়ার্কের সকল সদস্যর সমন্বয়ে নেটওয়ার্কের সাধারণ পরিষদ গঠিত হবে;
(খ) সাধারণ পরিষদের বার্ষিক সাধারণ সভা ও জরুরী সভায় উপস্থিত থাকার, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ভোট প্রদান করার, কার্যনির্বাহী কমিটির যে কোন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার এবং নেটওয়ার্কের আদর্শ উদ্দেশ্য ও গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী নয় এমন যে কোন প্রস্তাব পেশ করার অধিকার সদস্যদের থাকবে। তবে কোন সদস্য একই পরিষদের একাধিক পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না;
(গ) বছরে অন্ততঃ একবার সাধারণ পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিবছর ১৫ জানুয়ারীর মধ্যে এ সভা আহ্বান করতে হবে। সাধারণ সভার জন্য নুন্যপক্ষে পনের দিন পূর্বে নোটিশ জারি করতে হবে। জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্র, মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, উইমেন নেটওয়ার্কের ওয়েবসাইট এবং সদস্যবৃন্দের ই-মেইল ঠিকানায় নোটিশ পাঠিয়ে সভা আহ্বান করা যাবে;
(ঘ) বার্ষিক সাধারণ সভা ‘বার্ষিক সম্মেলন’ হিসেবে পরিচিত হবে। প্রয়োজনে ইস্যুভিত্তিক বা জরুরী বিশেষ সভা আহ্বান করা যেতে পারে;
(ঙ) সদস্যবৃন্দ সাধারণ সংখ্যাধিক্য ভোটের মাধ্যমে নেটওয়ার্কের কার্যাবলী পরিচালনার জন্য একটি কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করবে;
(চ) কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি সাধারণ পরিষদেরও সভাপতি;
(ছ) সাধারণ পরিষদ উইমেন নেটওয়ার্কের বার্ষিক রিপোর্ট, বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব, বার্ষিক বাজেট ও ব্যয় বরাদ্দ বিবেচনা ও অনুমোদন করবে এবং নেটওয়ার্কের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করবে;
(জ) সাধারণ সভার কার্যবিবরণী সভা অনুষ্ঠানের ছয় সপ্তাহের মধ্যে বিশেষ সভা আহ্বানের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে।

১১।      কার্যনির্বাহী পরিষদঃ 

কার্যনির্বাহী পরিষদ উইমেন নেটওয়ার্ক সম্পৃক্ত সকল সিদ্ধন্তের জন্য দায়িত্বশীল পরিষদ। সাধারণ সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে প্রতি ২ (দুই) বছরের জন্য (০১ জানুয়ারী হতে বছর গণনার ভিত্তিতে) নিম্নরূপ কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচিত হবেঃ
 
০১। সভাপতি                                             - ০১ (এক) জন।
০২। সহ-সভাপতি                                        - ০৩ (তনি) জন।
০৩। মহাসচিব                                           - ০১(এক) জন।
০৪। যুগ্ম মহাসচিব                                      - ০২ (দুই) জন।
০৫। কোষাধ্যক্ষ                                         - ০১ (এক) জন।
০৬।     সহকারী কোষাধ্যক্ষ                          - ০১ (এক) জন
০৭। সাংগঠনিক  সম্পাদক                            - ০১ (এক) জন।
০৮। দপ্তর সম্পাদক                                    - ০১ (এক) জন।
০৯। কল্যাণ সম্পাদক                                 - ০১ (এক) জন।
১০। সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক         - ০১ (এক) জন।
১১। যোগাযোগ, প্রচার ও তথ্য সম্পাদক           - ০১ (এক) জন।
১২। উন্নয়ন ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক          - ০১  (এক) জন।
১৩। নির্বাহী সদস্য                                     - ০৬ (ছয়) জন।
                                                           মোট =  ২১ (একুশ) জন।

১২।     কার্যনির্বাহী পরিষদের কার্যাবলীঃ 

(ক) নেটওয়ার্কের উদ্দেশ্য বাস্তাবায়নে কার্যনির্বাহী পরিষদ সার্বিক কর্মসম্পাদনে যথাযথ ভূমিকা ও নির্বাহী দায়িত্ব পালন করবে। বছরে একবার কার্যনির্বাহী পরিষদ সাধারণ পরিষদের সভা আয়োজন করবে। সাধারণ পরিষদের সভায় নেটওয়ার্কের সার্বিক তৎপরতা ও আয়-ব্যয়ের বিবরণী ও ভবিষ্যৎ কর্মসূচী পেশ করবে;
(খ) বিভিন্ন সময়ে নির্দিষ্ট কাজের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদ উপ-কমিটি গঠন করতে পারবে।

১৩।     কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাঃ 

বছরে কমপক্ষে ০৬ (ছয়) টি সভা অনুষ্ঠান করতে হবে। প্রতি দুই মাস অন্তর এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভা অনুষ্ঠানের  ১০(দশ) দিন পূর্বে এজেন্ডাসহ নোটিশ ই-মেইল ও নেটওয়ার্কের ওয়েবসাইডে জারী করা হবে। কার্যনির্বাহী পরিষদের দুই/তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে।

১৪।     কার্যনির্বাহী পরিষদের কর্মকর্তাদের দায়িত্বঃ 

(ক) সভাপতিঃ সভাপতি কার্যনির্বাহী পরিষদ, উপদেষ্টা পরিষদ ও সাধারণ পরিষদের সভায় সভাপতিত্ব করবেন। কার্যনির্বাহী পরিষদ সার্বিক তৎপরতা ও কর্ম সম্পাদন সম্পর্কে সকল সদস্যকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনামূলক পরামর্শ প্রদান করবেন। কার্যনির্বাহী পরিষদের কোন প্রস্তাব ভোটে গেলে এবং উভয় পক্ষে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা সমান হলে সভাপতি তাঁর কাস্টিং ভোট প্রয়োগ করতে পারবেন;
(খ) সহ-সভাপতিঃ সহ-সভাপতি সভাপতির কাজে সহায়তা করবেন। সভাপতির অনুপস্থিতিতে সহ-সভাপতিদ্বয়ের মধ্যে বয়স ও পদমর্যাদা উভয়ের ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করে যিনি জ্যেষ্ঠ বলে বিবেচিত হবেন তিনিই সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। কোন কারণে সভাপতির পদ শূণ্য হলে (সহ-সভাপতিদের মধ্যে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের ভিত্তিতে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন);
(গ) মহাসচিবঃ নেটওয়ার্কের কর্মতৎপরতা সম্পাদনে মহাসচিব নির্বাহী দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি সভাপতির সম্মতিক্রমে কার্যনির্বাহী পরিষদ ও উপদেষ্টা পরিষদের সভা আহ্বান করবেন এবং সভা পরিচালনা করবেন। নেটওয়ার্কের সকল সদস্যের সংগে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করবেন। নেটওয়ার্কের উন্নয়নকল্পে কর্ম পরিকল্পনা ও কর্মসূচী প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ করবেন। উপদেষ্টা পরিষদ, সাধারণ পরিষদ ও কার্যনির্বাহী পরিষদের সভার সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়ন ও মনিটরিং এর জন্য তিনি নির্বাহী দায়িত্ব পালন করবেন;
(ঘ) যুগ্ম মহাসচিবঃ যুগ্ম মহাসচিবদের দায়িত্ব হবে মহাসচিবের কাজে সহায়তা করা। মহাসচিবের অনুপস্থিতিতে সভাপতির সম্মতিক্রমে বয়স ও পদমর্যাদার ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করে যুগ্ম মহাসচিবদের মধ্যে হতে একজন ভারপ্রাপ্ত মহা-সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন;
(ঙ) কোষাধ্যক্ষঃ কোষাধ্যক্ষ নেটওয়ার্কের যাবতীয় আয়-ব্যয়ের হিসাব পরিচালনা ও হিসাব সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করবেন। বার্ষিক সাধারণ সভায় আয়-ব্যয়ের হিসাব পেশ করবেন। কোষাধ্যক্ষের অবর্তমানে নির্বাহী সদস্যদের মধ্যে হতে যিনি আয়-ব্যয়ের হিসাব পরিচালনা ও হিসাব সংরক্ষণ কাজে অধিক সম্পৃক্ত ও দক্ষ তেমন একজন সদস্য কোষাধ্যক্ষের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করবেন;
(চ) সাংগঠনিক সম্পাদকঃ নেটওয়ার্কের বিকাশের জন্য সাংগঠনিক সম্পাদক মুখ্য ভূমিকা পালন করবেন। তিনি সদস্য সংগ্রহ করবেন এবং সকল সাংগঠনিক কাজকর্ম যথাসময়ে ও সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করবেন;
(ছ) কল্যাণবিষয়ক সম্পাদকঃ কর্মমুখী শিক্ষার গুণগতমান উন্নয়নে পরিকল্পনা প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়নে সচেষ্ট থাকবেন। সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজের জন্য নির্বাহী দায়িত্ব পালন করবেন। নেটওয়ার্কের জন্য উল্লিখিত সমাজ সেবামূলক কাজের পরিকল্পনা প্রণয়ন করবেন এবং কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে তা বাস্তবায়ন করবেন;
(জ) যোগাযোগ-প্রচার ও তথ্য সম্পাদকঃ নেটওয়ার্কের বিভিন্নমুখী প্রচার সম্পর্কিত কার্যাবলী সংরক্ষণ, প্রচার এবং যোগাযোগ করবেন;
(ঝ) সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদকঃ নেটওয়ার্কের সকল সাহিত্য প্রকাশনা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আয়োজনের ব্যবস্থা করবেন;
(ঞ) দপ্তর সম্পাদকঃ নেটওয়ার্কের যাবতীয় কাগজপত্র, মূল্যবান দলিল সংরক্ষণ করবেন। দাপ্তরিক কাজ সম্পাদন করবেন এবং কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত/কার্যক্রম সদস্যগণকে অবহিত করবেন;
(ট) উন্নয়ন ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদকঃ নেটওয়ার্কের লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ/গবেষণা পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ ও সহযোগিতা করবেন;
(ঠ) নির্বাহী সদস্যঃ নেটওয়ার্কের সকল কার্য সম্পাদনে সহায়তা করবেন। কোন সময় সভাপতি এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি পদ শূণ্য হয়ে গেলে কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তক্রমে একজন সহ-সভাপতিকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হবে। কোন সময় মহাসচিব ও যুগ্ম মহাসচিবের পদ শূণ্য হয়ে গেলে কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় সিদ্ধান্তক্রমে একজন নির্বাহী সদস্যকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব প্রদান করা হবে। কোন সময় কোষাধ্যক্ষের পদ শূণ্য হয়ে গেলে কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক নির্বাহী সদস্যদের মধ্যে হতে একজনকে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব দেয়া হবে।

১৫।     কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনঃ  

(ক) যে কোন ভোটারই কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন। একজন ভোটার অন্যান্য ভোটার দ্বারা যে কোন পদের জন্য নির্বাচিত হতে পারবেন;
(খ) মহাসচিব পদে একই ব্যক্তি দুই বার নির্বাচিত হয়ে থাকলে তিনি উক্ত পদের জন্য আর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করতে পারবেন না;
(গ) নির্বাচনের তারিখঃ কমিটির মেয়াদ ০২ (দুই) বছর। প্রতি বছর ০১ থেকে ১৫ ডিসেম্বর এর মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে;
(ঘ) নির্বাচন কমিশনঃ কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদ পূর্তির কমপক্ষে ৩০ (ত্রিশ) দিন আগে কার্যনির্বাহী পরিষদ সাধারণ পরিষদের সদস্যদের মধ্য হতে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করবে;
(ঙ) নির্বাচন কমিশনে ০১ (এক) জন কমিশনার এবং ০২ (দুই) জন সদস্য থাকবেন। কার্যনির্বাহী পরিষদের কোন সদস্য নির্বাচন কমিশনে অন্তর্র্ভূক্ত হতে পারবেন না;
(চ) নির্বাচনের ভোট গননার জন্য অন্যান্য গননাকারীর সাথে ০৩ (তিন) জন সদস্য থাকবেন (যারা বি,সি,এস উইমেন্ নেটওয়ার্কের সদস্য থেকে সভাপতির দ্বারা মনোনীত হবেন);
(ছ) নির্বাচন কমিশনের কোন সদস্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা বা কোন প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না;
(জ) নির্বাচন কমিশন গঠিত হওয়ার পর ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে নির্বাচন তফসিল ঘোষণা করা হবে এবং তফসিল ঘোষণার পর নতুন কোন সদস্য নেয়া যাবে না। তফসিল ঘোষণার তারিখ হতে ১০ (দশ) দিনের মধ্যে নির্বাচনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে;
(ঝ) সকল সদস্য ভোটার হবেন। নির্বাচন কমিশন গঠনের পর কোন নতুন সদস্য পদ দেয়া যাবে না;
(ঞ) কোন সদস্য ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে অন্য সদস্যের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন না;
(ট) কোন পদে সমান সংখ্যাক ভোট পড়লে সেই পদটি লটারীর মাধ্যমে নির্ধারিত হবে;
(ঠ) নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যয় কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাহ করবেন;
(ড) নির্বাচনে কোন প্রতিদ্বদ্ধি একাধিক পদের জন্য প্রতিদ্বদ্ধিতা করতে পারবেন না।

১৬।     উপদেষ্টা পরিষদঃ 

(ক) কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় সাধারণ সদস্যদের মধ্য হতে সংখ্যাগরিষ্ঠতার মতামত ও সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ১০ (দশ) সদস্যের একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হবে। উপদেষ্টা পরিষদের নারী ও পুরুষ অনুপাত হবে যথাক্রমে ৬ : ৪। কার্যনির্বাহী পরিষদ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মনোনয়ন কররেন;
(খ) উপদেষ্টা পরিষদের মেয়াদ হবে ০২ (দুই) বছর।
(গ) উপদেষ্টা পরিষদ প্রতি চার মাসে কমপক্ষে একবার সভায় মিলিত হবে। উপদেষ্টা পরিষদের কাছে কার্যনির্বাহী পরিষদের মহাসচিব নেটওয়ার্কের তৎপরতা সম্পর্কে প্রতিবেদন পেশ করবেন;
(ঘ) উপদেষ্টা পরিষদ কার্যনির্বাহী পরিষদকে কোন পরামর্শ প্রদান করলে কার্যনির্বাহী পরিষদ তা বাস্তাবায়নের বিষয়টি বিবেচনা করবেন;
(ঙ) বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের সিনিয়র সদস্যবৃন্দের মধ্যে হতে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মনোনয়ন দেয়া যাবে।

১৭।     তহবিল গঠন ও হিসাব পরিচালনাঃ নেটওয়ার্কের একটি নিজস্ব তহবিল থাকবে। নিম্নোক্ত  উৎস হতে প্রাপ্ত আয় দ্বারা এ তহবিল গঠন করা হবে;

 

১) (ক) বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে কর্মরত নারী কর্মকর্তাগণের ‘বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস উইমেন নেটওয়ার্ক’ এর সদস্য হিসেবে অন্তর্ভূক্তির জন্য      প্রয়োজনীয় সদস্য ফি (এককালীন) এবং মাসিক চাঁদার মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ;
   (খ) Endowment Fund, অনুদান, সামাজিক সেবা ও বিভিন্ন আয়বর্ধক উন্নয়ন কার্যক্রম যেমন শিক্ষা-প্রশিক্ষণ-প্রকাশনা, মেলা ইত্যাদি পরিচালনার মাধ্যমে।
 
২) নেটওয়ার্কের সিদ্ধান্তক্রমে যে কোন কার্যক্রম দ্বারা সংগৃহীত অর্থ তহবিল হিসাবে ঢাকাস্থ যে কোন তফসিলী ব্যাংকের শাখায় সভাপতি, মহাসচিব ও কোষাধ্যক্ষের স্বাক্ষরে একটি হিসাব খোলা হবে।
 
৩) কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুসারে কোষাধ্যক্ষ এবং সভাপতি অথবা মহাসচিব-এর যৌথ স্বাক্ষরে হিসাবটি পরিচালিত হবে।
 
৪) নেটওয়ার্কের সকল হিসাব নিকাশ অনুমোদিত কোন অডিট ফার্ম বা হিসাব নিরীক্ষর দ্বারা বার্ষিক ভিত্তিতে নীরিক্ষা করতে হবে। কোন অভিযোগ/ঘটনার প্রেক্ষিতে নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ বিষয়টি রিভিউ করতে পারবেন।

১৮।    বিভিন্ন ধরণের সভা অনুষ্ঠান
 

ক. জরুরী সভাঃ 

১. ০৩ (তিন) দিনের নোটিশে সাধারণ পরিষদের জরুরী সভা আহ্বান করা যাবে। মোট সদস্যের দুই/তৃতীয়াংশ অথবা অর্ধেকের (৫০%) এর অধিক সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে;
 
২. কার্যনির্বাহী পরিষদের জরুরী সভা ২৪ ঘন্টার নোটিশে আহ্বান করা যাবে। মোট সদস্যের অর্ধেক এর বেশী সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে। 

খ.  তলবী সভাঃ 

১. মোট সদস্যের একান্ন শতাংশ সদস্যের স্বাক্ষরে বিশেষ সাধারণ সভা আহ্বানের অনুরোধের প্রেক্ষিতে তলবী সভা আহ্বান করতে হবে। সভার আবেদন প্রাপ্তির ২১ (একুশ) দিনের মধ্যে তলবী সভা কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক আহ্বান না করা হলে তলবী সদস্যবৃন্দ পরবর্তী  ১৫ (পনের) নোটিশে সভা আহ্বান করতে পারবেন। তলবী সভা প্রতিষ্ঠানের দপ্তরে অনুষ্ঠিত হবে। মোট সদস্যের দুই/তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে। 

গ. মুলতবী সভাঃ 

১. সাধারণ পরিষদের সভা কোরামের অভাবে স্থগিত করলে পরবর্তী ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে উক্ত সভা অনুষ্ঠান করতে হবে। সে ক্ষেত্রে কোরাম পূর্ণ না হলে যতজন সদস্য উপস্থিত থাকবেন তাদের নিয়েই সভা অনুষ্ঠিত হবে;
 
২. কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা পরপর দুইবার কোরামের অভাবে স্থগিত হলে তৃতীয়বার উপস্থিত সদস্যদের নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হবে। 

১৯।     গঠনতন্ত্র সংশোধন পদ্ধতিঃ
১. গঠনতন্ত্রের যে কোন বিষয়ের উপর সংশোধনী আনার জন্য উপস্থিত মোট সদস্যের দুই/তৃতীয়াংশ সমর্থন বা অনুমোদন প্রয়োজন হবে। অতঃপর তা নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষের নিকট পেশ করতে হবে। নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক রেকর্ডভূক্ত করার পর তা কার্যকর হবে;
২. যে কোন ধরণের বিতর্কিত অবস্থার সৃষ্টি হলে গঠনতন্ত্রে যা কিছ্ইু উল্লেখ থাকুক না কেন ১৯৬১ সালের ৪৬ নং অধ্যাদেশের (অধ্যাদেশের নাম) আওতায় প্রচলিত আইন অনুযায়ী নেটওয়ার্কের সকল কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
৩. কোন কারণে যদি নেটওয়ার্কের বিলুপ্তির প্রশ্ন দেখা দেয় তবে সে ক্ষেত্রে মোট সদস্যের দুই/তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতির প্রয়োজন সমীচীন। দুই/তৃতীয়াংশ সদস্যের অনুমোদনক্রমে নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পেশ করতে হবে।
৪. গঠনতন্ত্রের  বিষয়ে কোন ব্যাখ্যার প্রয়োজন হলে বা কোন বিতর্কের সৃষ্টি হলে সেক্ষেত্রে কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

❏  পরিশিষ্টঃ

❐   পরিশিষ্ট-১: প্রণীত শপথ টি সংযুক্ত করা হলো।

❑   বিসিএস উইমেন নেটওয়ার্কের সদস্যদের শপথ বাক্য

❒   আমি এই মর্মে শপথ করছি যে, আমি বিসিএস উইমেন নেটওয়ার্কের গঠনতন্ত্রে উল্লিখিত সকল নিয়ম ও বিধি বিধান যথাযথ ভাবে মানিয়া চলিব এবং নির্বাহী কমিটি বা গঠনতন্ত্রের বিধান অনুযায়ী গঠিত যে কোন কমিটি কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্তের প্রতি সর্বদা শ্রদ্ধাশীল থাকিব।

     আমি আরো শপথ করিতেছি যে, আমি স্ব স্ব বিভাগীয় বিধি বিধান সাপেক্ষে ও বিসিএস উইমেন নেটওয়ার্কের গঠনতন্ত্রে উল্লিখিত নিয়ম ও বিধি বিধান অনুযায়ী নেটওয়ার্ক কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালনে সর্বদা সচেষ্ট থাকিব।

বিস্তারিত .... রেফারেন্স...

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস উইমেন্ নেটওয়ার্কের গঠনতন্ত্র বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস উইমেন্ নেটওয়ার্কের গঠনতন্ত্র

Share with :

Facebook Facebook